পরিষ্কার সুযোগের অভাবে হাল সিটির বিপক্ষে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে হিমশিম খেতে হয়েছে আর্সেনালকে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের ৭২তম মিনিটের একমাত্র গোলে ম্যাচটি জেতে তারা। চলতি মৌসুমে এনিয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলে আটটি ম্যাচ তারা জিতল এক গোলের ব্যবধানে। হাল সিটির বিপক্ষে ১-০ গোলে ম্যাচ জেতার পর তাই হতাশ কোচ মিকেল আর্তেতা। 

গোলমুখের সামনে খেলোয়াড়দের আরও কার্যকরী ভূমিকা পালনের তাগাদা দিলেন কোচ। শনিবারের জয়ের পর তিনি বললেন, আর্সেনালকে ‘নিখুঁত গোল’ করার চেষ্টা থেকে সরে আসতে হবে। ১০ ম্যাচে নবম জয়ে তাদের সেরা শুরুর রেকর্ড ছুঁয়ে আর্সেনাল ছয় পয়েন্টের ব্যবধানে লিগ টেবিলের শীর্ষে। পরে নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে ম্যানসিটি হেরে যাওয়ার দারুণ সংবাদ শুনেছে তারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিরতির পর আরও উন্নতির লক্ষ্য আর্তেতার।

আর্সেনাল কোচ বললেন, ‘আমাদের আরও কার্যকরী হতে হবে। গোলরক্ষকের বিপক্ষে আমরা একা হয়ে পড়ছি। আজ এমনটা দুইবার হয়েছে। একটা পেনাল্টি হয়েছে, আরেকটা পরিস্থিতি যেখানে বক্সের ভেতরে বল বাউন্স করছিল। অনেক শটই প্রতিহত হয়েছে, ব্লক হয়েছে। আমাদের আরও কার্যকরী হওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে হবে, কখনও কখনও আরও বাস্তববাদী হতে হবে।’

তিনি বলে গেলেন, ‘মাঝে মাঝে আমার মনে হয় যে, আমরা এই রক্ষণাত্মক দলগুলোর বিপক্ষে একটি নিখুঁত গোল করার চেষ্টা করছি। আমাদের এর চেয়ে অনেক বেশি বিশৃঙ্খল হতে হবে এবং এটাই মূল কথা। আর আমার মনে হয়, আরও অনেক আগেই স্কোরলাইনটা বড় করা উচিত, কারণ এটা যে খেলার গতিপথ বদলে দেবে, তা স্পষ্ট।’

লাগাতার আক্রমণের চেষ্টার কারণে সুফল মিলেছে মনে করেন আর্তেতা, ‘ব্যবধানটা আরও বড় করার মতো যথেষ্ট সুযোগ আমাদের ছিল। কিন্তু আমরা সেটা করার জন্য যথেষ্ট কার্যকরী ছিলাম না। আর এরপর আমাদের নির্ভর করতে হয়েছে প্রচুর আক্রমণ করার ওপর, বক্সের ভেতরে ও আশেপাশে অনেক সুযোগ তৈরি করার ওপর এবং যতক্ষণ না আমরা তাদের রক্ষণ ভাঙতে পারছি, ততক্ষণ পর্যন্ত ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার ওপর। আর ঠিক এভাবেই আমরা ম্যাচটা জিতেছি।’